সরকারি আইন সহায়তা ব্যবস্থার বিকাশ

আইনি সংস্কারঃ ২০১১ সালে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন সংশোধন করে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটিতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও গণমান্য ব্যক্তিগণের অর্ন্তভূক্ত করা হয়। এছাড়া বোর্ডের তহবিলের অর্থ মন্ত্রী ও সদস্য সচিবের পরিবর্তে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং সংস্থার পরিচালক এর যৌথ স্বাক্ষরে উত্তোলণের বিধান সন্নিবেশিত করা হয়।

২০১৩ সালে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন সংশোধন করে নিম্নবর্ণিত বিধানাবলী সন্নিবেশিত করা হয়

  • সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি গঠন (ধারা ৮ক);
  • সুপ্রীম কোর্ট কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী (ধারা ৮খ);
  • সুপ্রীম কোর্ট কমিটির তহবিল (ধারা ১৩ক);
  • বিশেষ কমিটি (শ্রম আদালত ও চৌকি আদালত) গঠন [ধারা ১২ক];
  • বিশেষ কমিটির তহবিল (ধারা ১৪ক);
  • জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ [ধারা ২১ক (১)]
  • জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারকে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিস্পত্তির ক্ষমতা প্রদান; [ধারা ২১ক (২)]
  •  জেলা কমিটির পক্ষে কমিটির চেয়ারম্যান প্রয়োজনে কমিটির সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও  সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং কোন ক্ষেত্রে এইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করা হইলে উহা কমিটির পরবর্তী সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করিতে হইবে [ধারা ১০ (২)];
  • জেলার সিভিল সার্জন বা তৎকর্তৃত মনোনীত ডেপুটি সিভিল সার্জন [ধারা ৯ (১) (গগ)];
  • পার্বত্য জেলার ক্ষেত্রে, জেলা পরিষদের পরিষদের ১ জন পুরুষ ও ১ জন নারী সদস্য [ধারা ৯(১)(টট)];
  • সিটি কর্পোরেশনভূক্ত জেলার ক্ষেত্রে, কর্পোরেশনের ১ জন পুরুষ ও ১ জন নারী কাউন্সিলর [ধারা ৯ (২খ)];
  • লিগ্যাল এইড অফিসার, যিনি ইহার সদস্য সচিবও হইবেন [ধারা ৯(১)(ঢ)];
  •  
তথ্য: 
তথ্য আপা প্রকল্প