নারী অধিকার সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইন

[ পাঠ্য সামগ্রী ] নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ সংশোধীত, ২০০৩ (২০০০ সনের ৮ নং আইন)

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারী ও শিশুরা সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে নানাভাবে অত্যাচার, বৈষম্য এবং নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এরকম নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই চলেছে। নারী ও শিশুদের উপর নির্যাতন, অত্যাচার, বৈষম্য এবং অমানবিক নির্যাতনের প্রতিরোধ করার জন্য এবং অপরাধীর বিচার করার জন্য সরকার ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন প্রণয়ন করে এবং ২০০৩ সালে তা সংশোধন করা হয়। এই আইনে ধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, নারী ও শিশু পাচার, অপহরণ এবং যৌতুক ইত্যাদি অপরাধগুলোর আইনগত সংজ্ঞা এবং শাস্তির বিধান দেয়া হয়েছে।

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 11:58
  •  পঠিত: 882
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] যৌতুক নিরোধ আইন, ১৯৮০

১৯৮০ সনের ৩৫ নং আইন

যেহেতু বিবাহের যৌতুক আদান-প্রদান নিরোধ করিয়া আইন প্রণয়ন করা যুক্তিযুক্ত

ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম এবং বলবr হওয়ার তারিখঃ

১) এই আইনকে যৌতুক নিরোধ আইন, ১৯৮০ বলা হইবে।

২) সরকার অফিসিয়াল গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে তারিখে নির্ধারণ করিবেন সেই তারিখ হইতে ইহা বলবৎ হইবে।

ধারা ২। সংজ্ঞা

এই বিষয়ে বা প্রসঙ্গে যদি না বিরোধী কিছু থাকে, তাহা হইলে এই আইনে যৌতুক অর্থ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দিতে সম্মত হওয়া কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত-

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 10:09
  •  পঠিত: 8,052
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ১৯২৯

[১৯২৯ সনের ১৯নং আইন]

১লা অক্টোবর, ১৯২৯

যেইহেতু বাল্য বিবাহ রিরোধ করা সমীচীন, সেইহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন প্রণয়ন করা হইলঃ

ধারা ১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, আওতা ও প্রারম্ভঃ

ক) এই আইন বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ১৯২৯ নামে অভিহিত হইবে।

খ) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে কার্যকর হইবে এবং যেখানেই অবস্থান করুন না কেন বাংলাদেশের সকল নাগরিকের উপর ইহা প্রযোজ্য হইবে।

গ) ইহা ১৯৩০ সনের ১লা এপ্রিল হইতে বলব হইবে।

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 10:33
  •  পঠিত: 1,873
  • 0 মতামত

[ ভিডিও সামগ্রী ] এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০২

(২০০২ সনের আইন ১নং আইন)

এসিডের আমদানী, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ক্ষয়কারী দাহ্য পদার্থ হিসাবে এসিডের অপব্যবহার রোধ, এবং এসিড দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও আইনগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রণীত আইন৷

যেহেতু এসিডের আমদানী, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ক্ষয়কারী দাহ্য পদার্থ হিসাবে এসিডের অপব্যবহার রোধ, এবং এসিড দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও আইনগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 12:41
  •  পঠিত: 808
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২

এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২

এসিড অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে বিধান করার লক্ষ্যে প্রণীত আইন৷

যেহেতু এসিড অপরাধসমূহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

সংক্ষিপ্ত শিরোনামা

১৷ এই আইন এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২ নামে অভিহিত হইবে৷

সংজ্ঞা

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 13:19
  •  পঠিত: 671
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) আইন, ১৯৭৪

 (১৯৭৪ সনের ৫২নং আইন)

মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রীকরণ সম্পর্কিত আইনসমূহ একত্রীকরণ ও সংশোধনের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন;

যেইহেতু মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রীকরণ সম্পর্কিত আইনসমূহ একত্রীকরণ ও সংশোধন যুক্তিযুক্তঃ

সেইহেতু, নিন্মলিখিত আইন প্রণয়ন করা হইলঃ

ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগঃ

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 13:27
  •  পঠিত: 4,718
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) আইন, ১৯৭৫

মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) আইন, ১৯৭৪(১৯৭৪ সনের ৫২নং আইন) এর ১৪নং ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নিম্নরূপ বিধিমালা প্রণয়ন করিলেন।

বিধি-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনামঃ

এই বিধিমালা মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) বিধিমালা, ১৯৭৫ নামে গণ্য হইবে।

বিধি-২। সংজ্ঞা সমূহঃ এই বিধিতে-

ক) “আইন” অর্থ ১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রীকরণ) আইন, (১৯৭৪ সনের ৫২নং আইন) বুঝায়;

খ) “ফরম” অর্থ অত্র বিধির তফসিলভুক্ত একটি ফরম;

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 13:42
  •  পঠিত: 1,716
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯

ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও কার্যকারিতার সীমাঃ

১) অত্র আইন মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ, ১৯৩৯ নামে গণ্য হইবে,

২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবে।

ধারা ২। বিবাহ বিচ্ছেদ ও ডিক্রির কারণঃ

মুসলিম আইনানুযায়ী বিবাহীতা স্ত্রীলোক নিম্নে বর্ণিত এক বা একাধিক কারণে তাহর বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রিলাভের অধিকারী হইবেন; যথাঃ

১) স্বামী ৪ বৎসর যাবত নিখোঁজ রহিয়াছেন।

২) স্বামী ২ বৎসর যাবত তাহার ভরণপোষণ দিতে অবহেলা করিয়াছেন বা ব্যর্থ হইয়াছেন।

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 08/04/2014 - 13:45
  •  পঠিত: 2,521
  • 0 মতামত

পৃষ্ঠাসমূহ