চর্ম রোগ ও ত্বকের সমস্যা

ছোট বাচ্চার এক্সিমা থেকে যুববয়সীর মসূরিকা এবং হাতপায়ের দাদ থেকে রোদে ফুসকুড়িসহ প্রতিটি মানুষ সারা জীবনে কোন না কোন চর্মরোগে আক্রান্ত হতে পারে। বেশির ভাগ চর্ম রোগ তেমন গুরুতর না হলেও রোগটি সবার জন্য নানা অসুবিধা ও কষ্ট সৃষ্টি করতে পারে । চর্মরোগ এমন একটি সাধারণ ও প্রচলিত ব্যাধি যা মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেমন কুষ্ঠ,খোস, ছত্রাক ব্যাধি এবং চর্মজীবাণু প্রদাহ । ভেতর ও বাইরের উপাদানের প্রভাবে প্রভাবিত হওয়ার পর মানুষের চর্মের আকার,গঠনপ্রণালী এবং ক্ষমতার পরিবর্তন হতে পারে। কোনো কোনোটার রোগবিদ্যাগত প্রক্রিয়ায় নানা লক্ষণ দেখা দেয়।

চর্মরোগ সহজে পুনরায় ঘটতে পারে এবং বিশেষ করে বসন্তকাল ও শীতকালে সহজে আবার দেখা দিতে পারে বা গুরুতর হতে পারে । পক্ষান্তরে গ্রীষ্মকাল ও শরত্কালে এ রোগ কিছুটা হালকা হতে পারে। চর্মরোগের হার বেশি হলেও অপেক্ষাকৃত হালকা হয় বলে রোগটি সাধারণত মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু অল্প কিছু চর্মরোগ অপেক্ষাকৃত গুরুতর এমনকি প্রাণহানি ঘটাতে পারে । সাধারণভাবে বলতে গেলে চুলকানোর চর্মরোগের অর্ধেকেরও বেশি এলার্জির সঙ্গে সম্পর্কিত। আর ব্যথা হয় এমন চর্মরোগের বেশির ভাগ জীবাণু ও ভাইরাসে প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত।

চিকিত্সা নেয়ার সময় অনেক রোগী জানতে চান যে,নিজের রোগ সংক্রামক রোগ কিনা এবং তার ছড়িয়ে পড়ার আশংকা আছে কিনা ।আসলে চর্মরোগেরমধ্যে সংক্রামক চর্মরোগের অনুপাত অতি অল্প। সংক্রামক চর্মরোগের মধ্যে রয়েছে হার্পিজ, ভারিসেলা, বসন্ত, হাম,স্কার্লেট জ্বর, কুষ্ঠ, হাতপায়ে দাদ এবং খোস ইত্যাদি।

চর্মরোগের ছড়িয়ে পড়ার পদ্ধতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংস্পর্শে ছড়ানো দু ধরণে বিভক্ত। প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে ছড়িয়ে পড়ার অর্থ হল, সরাসরি রোগী বা রুগ্নপশুর চামড়া, রক্ত, দেহনিঃসৃত তরল পদার্থ ও নিঃসৃত পদার্থের সংষ্পর্শে ছড়ানো । পরোক্ষ ছড়িয়ে পড়ার অর্থ হল রোগীর ব্যবহার করা দ্রব্যের মাধ্যমে ছড়ানো।

সংক্রামক উত্সের সঙ্গে যাদের সংস্পর্শ হয় তারা সবাই রোগে আক্রান্ত হতে পারে তা নয়,কারণ মানুষের শরীরের প্রতিরোধ শক্তি রয়েছে। প্রতিরোধ শক্তি হ্রাসের সময়,যেমন শরীর দুর্বল,অন্ত্রের দীর্ঘকালীন ব্যাধি, দীর্ঘকাল ধরে প্রতিরোধ শক্তি রোধের ঔষধ হর্মোন ব্যবহার এবং টিউমারসহ নানা অবস্থায়ই কেবল সংক্রামিত হওয়ার আশংকা বাড়তে পারে। তাই চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়া আতঙ্কের ব্যাপার নয়। কিন্তু কেউকেউ মনে করেন, চর্মরোগ ছোট রোগ বা গুরুতর রোগ । ডাক্তার যে ঔষধ খাওয়ান এবং নিজেরাই যে ঔষধ কিনেছেন তার কোনো পার্থক্য নেই আর কিছু চর্মরোগ সম্পর্কে ডাক্তারের কিছু করার নেই বলে হাসপাতালে চিকিত্সা করানোর দরকার।যথাসময় এর চিকিৎসা না করালে জ্বর, ঘাম,ঝিমঝিম বা অবসন্নতার ভাব,বমির ভাব, বাতের ব্যথা ও ক্লান্তিসহ ধারাবাহিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে এমনকি সারা শরীর পচে মৃত্যু হতে পারে।

কেন চর্মরোগকে গুরুত্ব দেয়া উচিত তা সম্পর্কে ডাক্তার শি বলেন, ত্বক মানুষের কয়েকটি বড় অঙ্গ বা অবয়ব নিয়ে গঠিতঃ

(১) ত্বক একটি স্পর্শানুভূতির অঙ্গ;

(২) ত্বকের গঠন ও শারিরীক ক্ষমতার দিক থেকে বলতে গেলে সেটি একটি রোগ প্রতিরোধক অঙ্গ;

(৩) ত্বক একটি মেটাবলিজম অঙ্গ যা ঘাম নিঃসরণ করে এবং দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে;       

(৪) ত্বক একটি প্রতিরক্ষামূলক দেয়াল । সুতরাং চর্মরোগ হলে স্বাভাবিকভাবে চিকিত্সা করাতে হবে।

চর্মরোগ বা ত্বকের সমস্যা বাংলাদেশের বস শ্রেণীর মানুষের জন্য সাধারণ সমস্যা। যারা বেশী অপরিষ্কার, অপরিছন্ন, ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশে থাকে ও নিজেও অপরিচ্ছন্ন থাকে তাদের ক্ষেত্রে ত্বকের সমস্যা বেশী দেখা দেয়। কয়েকটি সাধারণ চর্মরোগ হচ্ছে–পাঁচড়া, খঁজলি ও দাদ ।

পাঁচড়া: শিশুদের মধ্যে এই রোগ বেশী দেখা যায় ।পাঁচড়ায় যে সব জায়গা আক্রান্ত হয়:

  • আঙ্গুলের মাঝখানে;
  • কব্জিতে;
  • কোমরের চারদিকে;
  • যৌনাঙ্গের আশেপাশে;
  • শরীরের অন্যান্য অংশেও ছোট ছোট ফুঁসকুড়ি দেখা যায়;

চর্ম রোগের লক্ষণ:

  • আক্রান্ত স্থানে সবসময় চুলকানীর ভাব অনুভূতি হয়;
  • না চুলকিয়ে থাকা যায় না;
  • চুলকাতে চুলকাতে চামড়া উঠে যায়, ফুসকুড়ি গুলোতে পুঁজ/পানি জমে;
  • পুনরায় চুলকালে পুঁজ ছড়িয়ে পড়ে ও চুলকানী অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে যায়;
  • ব্যথায় শরীরে জ্বর আসে।

চিকিৎসা:

  • পরিষ্কার পরিছন্ন কাপড় চোপড়  ব্যবহার করলে খোসপাঁচড়া হবে না;
  • প্রতিদিন গোসল করতে হবে;
  • গরম পানি দিয়ে গোসল করতে হবে;
  • গরম পানিতে নিম পাতা দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলেও উপকার পাওয়া যাবে;
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে;

খুজলি-লক্ষণঃ

  • দুই আঙ্গুলের মাঝখানে ছোট দানার মত হয়;
  • যৌনাঙ্গে ছোট দানার মত দেখা যায়। শরীরের অন্যান্য অংশে বিশেষ করে চামড়ার ভাঁজে একই ভাবে দেখা যায়;
  • দানা চাপ দিলে পানিবের হয়;
  • ভীষণ চুলকায়;
  • চুঁলকালে আক্রান্ত জায়গায় প্রদাহ হয় ও পুঁজ জমে।

চিকিৎসাঃ

  • পরিষ্কার পরিছন্ন কাপড় চোপড় ব্যবহার করতে হবে;
  • ব্যক্তিগত পরিছন্নতা বজায় রাখতে হবে;
  • চিকিৎকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।

প্রতিরোধঃ

  • পাঁচড়া ও খঁজলির ক্ষেত্রে রোগীকে আলাদা রাখা;
  • পরিষ্কার পরিছন্নতা বজায় রাখতে হবে;
  • দূষিত পুকুরের পানিতে গোসল না করা;
  • দৈনন্দিন পরিধেয় কাপড় পরিষ্কার রাখা;
  • নখ কেটে ছোট রাখা;
  • গামছা, বিছানা ও বালিশ পরিষ্কার রাখা;
  • পাঁচড়া ও খঁজলি সেরে গেলে রোগীর কাপড় চোপড় বিছানাপত্র ভাল;
  • ভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে দেওয়া।

দাদঃ

শরীরের যে কোন জায়গা ফাংগাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাকে দাদ বলা হয়।এই আক্রমণ মাথার চামড়ায়, হাত- পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে, কঁচকিতে হতে পারে।এটা খুব ছোঁয়াচে রোগ।

লক্ষণঃ

  • আক্রান্ত স্থান চাকার মত গোলাকার হয়,এবং চুলকায়;
  • মাথায় দাদ দেখতে গোলাকার হয়, আক্রান্ত স্থানে চুল কমে যায় এবং প্রায়ই থাকে না;
  • হাত বা পায়ের নখে ফাংগাস আক্রান্ত করলে নখের উপরিভাগ পুরু হয়, এবং মসৃণতা নষ্ট হয়;
  • নখের পাশে পনি জমে যায় এবং অনেক সময় নখ ভেঙ্গে যায়।

প্রতিকারঃ

  • সাবান ও পানি দিয়ে প্রতিদিন ধোয়াই দাদ থেকে মুক্তি পাবার সহজ উপায়;
  • আক্রান্ত স্থান শুকনো রাখা জরুরী;
  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে;
  • অনেক সময় ব্যবহৃত সাবান থেকেও দাদ হতে পারে, সেক্ষেত্রে সাবান ব্যবহার কিছুদিন বন্ধ রাখতে হবে।

প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ

  • ফাংগাস আক্রান্ত ছেলেমেয়েদের অন্য কোন সুস্থ্য ছেলেমেয়েদের সঙ্গে একত্রে খেলতে বা ঘুমাতে দেয়া উচিত নয়;
  • গীর ব্যবহৃত কাপড় চোপড় ও চিরুণী ভাল ভাবে পরিষ্কার না করে অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয়;
  • রোগ প্রকাশ পাওয়া মাত্র চিকিৎসা করাতে হবে ।

পুরুষের চর্ম রোগঃ

পুরুষের চর্ম রোগ পুরুষের লিঙ্গ থলিতে অনেক ময়লা বা সাদা হয়ে যাওয়া বা ঘা দেখা দেখা, মেডিক্যাল ভাষায় যাকে চর্ম রোগ বলে। চর্ম রোগ প্রতিরোধের উপায় কি? এই রোগটি সাধারন অপরিস্কার থাকার কারনে বা ভিটামিন সি অভাবে হয়ে থাকে, তাই ছেলেদের স্বপ্নদোষ হলে সাথে সাথে ধুয়ে পরিস্কার করা উচিত্ অথবা প্যান্টের জাঙ্গিয়া নিচে ঘেমে গেলে তা সবসময় পানি দিয়ে পরিস্কার করা উচিত্। এ রোগ হলে অবশ্যই ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশী খেতে হবে, যেমনঃ কমলা বা কমলা তৈরী জুস ট্যাংক ইত্যাদি বেশী খেতে হবে রোগটি যাদের বড় আকার ধারন করেছে তারা রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি)ঢাকা, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ;
  • বারডেম ও ইব্রাহীম মেডিকেল কলেজ শাহাবাগ, ঢাকা, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ;
  • মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সমূহের আউটডোরে, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ;
  • জেলা সদর হাসপাতাল , চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ;
  • উপজেলা স্বাস্থ্যকপ্লেক্স, চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ;
  • ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র;
  • কমিউনিটি ক্লিনিক;
  • স্থানীয় এনজিও স্বাস্থ্য কর্মী বা হাসপাতাল ।

পুরুষের যে কারণে মাথা টাক হয়ঃ

চুলপড়া সমস্যার চিকিত্সা যত বেশী জরুরী তার চেয়ে বেশী জরুরী রোগীর আস্থা ও ধৈর্য। কারণ ধৈর্য ধরে যথাযথ চিকিত্সা নিতে পারলে অবশ্যই উপকার পাওয়া যাবে।চুলপড়া সমস্যা সব বয়সেই হতে পারে। কি পুরুষ কি মহিলা অথবা কিশোর-কিশোরী। আমি সব সময় বলে আসছি চুলপড়া সমস্যা কোন রোগ নয়। যে কোন রোগ অথবা সমস্যা থেকে চুলপড়তে পারে। এবার আমরা মেল প্যাটার্ন বল্ডনেস বা পুরুষের এক ধরণের চুলপড়া নিয়ে আলোচনা করবো। মেল প্যাটার্ন বল্ডনেস হচ্ছে পুরুষের চুলপড়া সমস্যার অন্যতম একটি ধরন। সাধারণত:জিন ও পুরুষ সেক্স হরমোন হিসাবে খ্যাত টেসটেসটেরনই দায়ী। এধরণের চুলপড়া সমস্যাকে এড্রোজেনেটিক এলোপেসিয়া বলা হয়। এধরণের চুলপড়া সমস্যা বুঝতে বা ডায়াগনোসিস করতে খুব একটা সমস্যা হয়না। হেয়ারলাইন বা কপালের উপরের অংশের চুল ফাকা হয়ে যায় এবং মাথার উপরি ভাগের অংশে চুল কমে যায়। এ ক্ষেত্রে চুলপড়ার ধরণ দেখেই বুঝা যায় এটা হরমোনাল বা বংশগত কারণে চুল পড়ছে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ হরমোন জনিত চুলপড়া সমস্যার কোন ভালো চিকিত্সা নেই। কারণ হরমোন পরিবর্তন করে চুলপড়া সমস্যার চিকিত্সা যৌক্তিক নয়। তবে মেলপ্যাটার্ন বল্ডনেস বা পুরুষের চুলপড়া সমস্যার ক্ষেত্রে মার্কিন ফুড এন্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিষ্ট্রেশন এ পর্যন্ত দু'টো ঔষধ অনুমোদন দিয়েছে। আশার কথা এ দু'টো ঔষধই এখন বাংলাদেশে তৈরী হচ্ছে। এর একটি হচ্ছে মিনক্সিডিল। মিনক্সিডিল হচ্ছে এক ধরণের লোশন বা সলিউশন যা সরাসরি মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে হয়। এই ঔষধটি হেয়ার ফলিকিউল স্টিমুলেট করে এবং চুলগজাতে সাহায্য করে।এছাড়া এড্রোজেনেটিক এলোপেসিয়ায় আর একটি ঔষধ ব্যবহার করা হয়।এটি হচ্ছে ফিনাস্টেরাইড।এটা এক ধরণের মুখে খাবার ঔষধ। দৈনিক ১ মিলিগ্রাম করে এধরণের ঔষধ সেবন বাঞ্ছনীয়। এই ঔষধটি মিনক্সিডিল অপেক্ষা ভালো এবং চুলপড়া কমাতে সাহায্য করে।পাশাপাশি চুল গজাতেও কার্যকর।তবে যে কথাটি আমি সব সময় বলে থাকি চুলপড়া সমস্যা কোন রোগ নয় এবং চুলপড়া সমস্যার কোন ম্যাজিক চিকিত্সা নেই। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় রোগীরা চিকিত্সা নিতে নিতে হতাশ হয়ে পড়ে। ছুটতে থাকে এক ডাক্তার থেকে অন্য ডাক্তারের কাছে। ঔষধও পরিবর্তন করতে হয় বারবার। এতে কাজের কাজ কিছুই হয়না।

স্কিন স্পেশালিষ্টদের প্রতি আস্থা হারিয়ে রোগীরা ছোটে তথাকথিত অপচিকিত্সার দিকে। এজন্য আমরা ডাক্তাররাও কিছুটা দায়ী। রোগীর সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় দেইনা। রোগীর মানসিক অবস্থা ও চুলপড়া নিয়ে হতাশাও বুঝতে চেষ্টা করিনা। ফলে বড় বড় ডাক্তারদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলে রোগীরা। আর একটা কথা মনে রাখতে হবে শুধু ঔষধ দিয়েই চুলপড়া সমস্যার সমাধান হবেনা। চুলপড়া সমস্যার প্রকৃত কারণ জেনে চিকিত্সার পাশাপাশি যথাযথ পরিচর্যা করতে হবে। আর রোগীকে আস্থাশীল করতে না পারলে রোগীও দীর্ঘ মেয়াদী চিকিত্সা নিতে উত্সাহ হারিয়ে ফেলতে পারে। তাই চুলপড়া সমস্যার চিকিত্সা যত বেশী জরুরী তার চেয়ে বেশী জরুরী রোগীর আস্থা ও ধৈর্য। কারণ ধৈর্য ধরে যথাযথ চিকিত্সা নিতে পারলে অবশ্যই উপকার পাওয়া যাবে।

 

(ডা: মোড়ল নজরুল ইসলাম, চুলপড়া, চর্মরোগ ও এলার্জি এবং যৌন সমস্যা বিশেষজ্ঞ,লেজার এন্ড কসমেটিক সার্জন বাংলাদেশ লেজার স্কিন সেন্টার, ঢাকা)

 

তথ্য: 
তথ্য আপা প্রকল্প