মাধ্যমিক শিক্ষা (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক)

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মাধ্যমিক শিক্ষা (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক)

বাংলাদেশের বর্তমান প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা ও স্নাতক শ্রেণীর শিক্ষার মধ্যবর্তীস্তরের শিক্ষাকে মাধ্যমিক শিক্ষা বলা হয়। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাকে আবার তিনটি উপ-স্তরে বিভাজন করা হয়। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাকে নিম্ন মাধ্যমিক, নবম ও দশম শ্রেণীকে মাধ্যমিক ও একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বিভাজিত করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীর বিকাশকে সংহত করার জন্য মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচী প্রণয়ন করা হয়েছে ..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 10:50
  •  পঠিত: 1,355
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা

মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাজে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যামিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর  কাজ করে থাকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার তদারকিতে যুগ্মসচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা  অধিদপ্তরে  মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার জন্য একজন পরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তার দায়িত্বে মাধ্যমিক শাখা রয়েছে। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে উপ-পরিচালক, জেলা পর্যায়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন। সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার, স্কুল পরিদর্শক ও গবেষণা কর্মকর্তা পদ সৃষ্টির মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে গতিশীল করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 10:56
  •  পঠিত: 1,542
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বেসরকারি স্কুল কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি ও গভর্ণিং বডি)

বেসরকারি স্কুল কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটি (এসএমসি ও গভর্ণিং বডি)

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠ তদারকি ও ব্যবস্থাপনার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড রেগুলেশন ১৯৭৭ অনুযায়ী স্কুল ব্যবস্থাপনার জন্য স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হবে। অনুরুপভাবে মাদ্রাসার জন্য বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ম্যানেজিং কমিটি বিষয়ক ১৯৭৯ সালের রেগুলেশনস অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ম্যানেজিং কমিটি প্রতিষ্ঠানের উন্নতি, অগ্রগতি, অর্থের যোগান, শিক্ষক নিয়োগসহ ব্যবস্থাপনাগত কার্যাবলী পরিচালনা করে থাকে...

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 11:06
  •  পঠিত: 6,414
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মাধ্যমিক শিক্ষায় লিঙ্গভিত্তিক (জেন্ডার) সমতা আনয়ন

জেন্ডার সমতা বলতে নারী পুরুষের চাহিদা, যোগ্যতা ও ক্ষমতা অনুযায়ী অধিকার ভোগ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সমান ও অবারিত সুযোগ সুবিধাকে বোঝানো হয়। মাধ্যমিক শিক্ষায় জেন্ডার সমতা বলতে মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তিকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ নারী পুরুষের একই ধরনের সামর্থ অনুযায়ী কাজের বা লেখাপড়ার ক্ষেত্রে পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ঐতিহাসিকভাবে সৃষ্ট অসুবিধাগুলো দূর করে সমতাপূর্ণ, সহযোগিতাপূর্ণ, স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনাকে জেন্ডার সমতা বলা হয়। জেন্ডার সমতার মাধ্যমে নারীকে নারীরূপে নয় বরং উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা প্রতিফলিত করা হয়।..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 11:25
  •  পঠিত: 1,054
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ

মাধ্যমিকস্তরের ৩১৮ টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে জাতীয়ভাবে নিয়োগ প্রদান করে থাকে। বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রায় ৯ হাজার মাদ্রাসায় সরকার নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে স্কুল ম্যনেজিং কমিটি (এসএমসি) নিয়োগ প্রদান করে থাকে। বেসরকারি শিক্ষকদের নিয়োগে অধিকতর স্বচ্ছতা আনায়নের উদ্দেশ্যে সরকার ২০০৫ সালে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০০৫ প্রণয়ন করে। এই আইনের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়। এই কর্তৃপক্ষ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকুরী ইচ্ছুক প্রার্থীদের জাতীয়ভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করে..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 11:30
  •  পঠিত: 6,374
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক প্রশিক্ষণ

মাধ্যমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ১৯০৯ সালে ঢাকা টিটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষকদের জন্য ব্যাচেলর ইন এডুকেশন(বিএড)চালু রয়েছে। তাছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য বিএমএড ও শারিরীক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষকদের জন্য বিপিএড কোর্স চারু করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিএড ডিগ্রি অর্জন বাধ্যতামূলক। এছাড়া বর্তমানে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রতিবছর শিক্ষক হবার মানসিকতায় চাকুরি পাবার পূর্বেই বিএড কোর্সে ভর্তি হচ্ছে। সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় ও বেসকারি মহাবিদ্যালয়ের পাশাপাশি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেও বিএড ও এমএড সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রযেছে। এক বছর মেয়াদী এই কোর্সটিকে বর্তমানে আরো যুগোপযোগী করা হয়েছে ..

তথ্য:
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 12:45
  •  পঠিত: 3,508
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন

মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী মূল্যায়নের জন্য প্রতিবছর জাতীয় ভিত্তিতে দুইটি পরীক্ষা নেয়া হয়। অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা। এছাড়া ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসাবে সরকার স্কুলভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি (এসবিএ) চালু করেছে। এসবিএ হলো স্কুলের শিক্ষক কর্তৃক ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন যা অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার সাথে যুক্ত করা হয়। এরফলে শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র পরীক্ষার জন্য পড়ার পরিবর্তে ধারাবহিকভাবে পড়ালেখায় আগ্রহী হয়ে উঠে। অষ্টম শ্রেণীতে জাতীয়ভিত্তিতে জুনিয়র সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশের শিক্ষার্থীরা একই দিনে ও একই প্রশ্নমালার অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। প্রচলিত ধারার সংস্কারের মাধ্যমে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জুনিয়র বৃত্তি প্রদান করা হয়। দশম শ্রেনীতে অধ্যয়ন সম্পন্ন করার পর সাধারণ ধারার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও মাদ্রাসা ধারার শিক্ষার্থীরা ..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 11/04/2015 - 12:52
  •  পঠিত: 881
  • 0 মতামত

পৃষ্ঠাসমূহ