বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট- প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর। সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয় ৫ বছর মেয়াদী প্রাথমিক, ৭ বছর মেয়াদী মাধ্যমিক - এর মধ্যে ৩বছর মেয়াদী জুনিয়র, ২ বছর মেয়াদী মাধ্যমিক এবং ২ বছর মেয়াদী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়। বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো সরকারের কাছ থেকে যথেষ্ট আর্থিক সহায়তা পায়। বাংলাদেশে তৃতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ৩-৫ বছর মেয়াদী। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ৩৮ টি পাবলিক ও ৬০টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন -এর তত্ত্বাবধানে অধিভুক্ত কলেজের মাধ্যমে এ শিক্ষা দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলা বা ইংরেজির মধ্যে যেকোনটিকে...

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 19:37
  •  পঠিত: 1,443
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশে সাধারনত তিন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় দেখা যায়। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়।
সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়..

তথ্য:
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 19:40
  •  পঠিত: 4,907
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি

বাংলাদেশে বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রতিবছর জুলাই মাসের মধ্যে প্রকাশ করার সরকারি সিদ্ধান্ত রযেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিবছর অগাষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে বিভিন্ন ইউনিট ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা প্রচলিত রয়েছে। বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন, সমাজবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞানসহ নানা বিশেষায়িত বিভাগসমূহে ছাত্রছাত্রীরা ভর্তির আবেদন করে।লিখিত ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিভাগওয়ারী বিষয় বন্টন করা হয়। বিষয় বন্টনের ক্ষেত্রে প্রার্থীর মেধা ও পছন্দ তালিকাকে বিবেচনা করা হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত স্বতন্ত্র ইন্সটিটিউটসমূহ নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী ছাত্রছাত্রী ভর্তির ব্যবস্থা করে থাকে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের..

তথ্য:
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 19:41
  •  পঠিত: 907
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] শিক্ষানীতি ২০১০ এ উচ্চশিক্ষায় সংস্কারসমূহ

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য হবে জ্ঞান সঞ্চারণ ও নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন এবং সেই সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চ শিক্ষার কেন্দ্রগুলোর জন্য স্ব-শাসন ব্যবস্থা অপরিহার্য। তবে তা যথানিয়মে নির্ধারিত নীতিমালার আওতায় বাস্তবায়িত হবে এবং সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ প্রস্তাবিত ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে সরকারি তদারকির ব্যবস্থা থাকবে। বর্তমানে জ্ঞানার্জন ও জ্ঞানসাধনায় নিযুক্ত বিশেষজ্ঞগণ তাঁদের সাধনার ক্ষেত্রকে ক্রমাগত সঙ্কুচিত করছেন আপন বিষয়ে গভীরতা অর্জনের প্রয়োজনে। ফলে বিভাজন ঘটছে জ্ঞানের জগতে। অন্যদিকে একটি বিপরীত প্রক্রিয়াও চলছে এবং তা হল জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার পারস্পরিক নির্ভরতা বৃদ্ধি এবং এর ফলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি..

তথ্য:
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 19:44
  •  পঠিত: 777
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বাস্তবায়ন কৌশল

১.   বিভিন্ন ধারার মাধ্যমিক শিক্ষা সফলভাবে সমাপ্ত করার পর মেধা, আগ্রহ ও প্রবণতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ লাভ করবে।

২.   মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং আদিবাসীসহ ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা, বিভিন্ন কারণে অনগ্রসর এবং অন্যান্য গোষ্ঠির সন্তানদেরকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আবাসিক সুবিধাসৃষ্টির পদক্ষেপ গ্রহণ ও বৃত্তি প্রদানসহ বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে।

৩.    শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে পারে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে (যেমন- কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে) উচ্চশিক্ষা প্রদান করা হবে। কোটা পদ্ধতি বা অন্য কারণে ন্যূনতম যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা হবে না....

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 19:45
  •  পঠিত: 1,044
  • 0 মতামত