প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা

[ পাঠ্য সামগ্রী ] শিশুর প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা

শিশুদের জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করার আগে শিশুর অন্তর্নিহিত অপার বিস্ময়বোধ, অসীম কৌতুহল, আনন্দবোধ ও অফুরন্ত উদ্যমের মতো সর্বজনীন মানবিক বৃত্তির সুষ্ঠু বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় মানসিক ও দৈহিক প্রস্তুতিগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। তাই তাদের জন্য বিদ্যালয়-প্রস্তুতিমূলক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা জরুরি। অন্যান্য শিশুর সঙ্গে একত্রে এই প্রস্তুতিমূলক শিক্ষা শিশুর মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। তাই জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ প্রাথমিক শিক্ষা শুরুর পূর্বেই প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হবে। পরবর্তীকালে এটি চার বছর বয়স থেকে দুই বছর মেয়াদে ..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 11:40
  •  পঠিত: 2,589
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক বিদ্যালয় শব্দটি প্রথম ১৮০২ সালে ব্যবহার করা হয়, যা ফরাসী ecole primaire শব্দটি থেকে এসেছে, যার অর্থ হচ্ছে প্রথম দিকের শিক্ষা।শিশুর জীবন গঠনে নিয়মতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রথম ধাপ হলো প্রাথমিক শিক্ষা। শিশুর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, ও নান্দনিক বিকাশ সাধন এবং তাকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করাই প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য। এটি বিশ্বের অধিকাংশ দেশে বাধ্যতামূলক শিক্ষা হিসেবে কার্য্কর ও বিনা বেতনে এটি প্রদান করা হয়ে থাকে..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 12:00
  •  পঠিত: 1,116
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] প্রাথমিক স্তরের পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য

শিক্ষাক্রম শিক্ষার দর্পন। এটি শিক্ষার পরিকল্পনা। একটা দেশের উন্নতি, অগ্রগতি, আধুনিকায়ন, যুগোপযোগী হওয়া না হওয়া মূলত নির্ভর করে শিক্ষাক্রমের উপর। “ শিক্ষাকেন্দ্রিক সর্ববিধ পরিকল্পনার নাম শিক্ষাক্রম।” শিক্ষাক্রমেও শিক্ষার ধরণ, প্রকৃতি, এর প্রশাসন, ম্যানেজমেন্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী মান, ভৌত অবকাঠামো ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা থকে।

শিক্ষানীতি-২০১০ এর রূপরেখার ভিত্তিতে শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর নির্দেশনা অনুসারে শিশুর নিরাপত্তা বিষয়টি পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমে সংযোজন করা হয়েছে। পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমে প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ২২টি থেকে ১৩টি ও প্রান্তিক যোগ্যতাগুলো ৫০টি থেকে ২৯টিতে পুন:নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রচলিত শিক্ষাক্রমে শিখনফল ও পরিকল্পিত কাজ ছিল না। বর্তমান শিক্ষাক্রমে শিখনফল ও শ্রেণিভিত্তিক পরিকল্পিত কাজ সম্পূর্ণ নতুনভাবে লেখা হয়েছে। প্রায় সকল শিখনফলের বিপরীতে পরিকল্পিত কাজ ..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 12:15
  •  পঠিত: 4,225
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] প্রাথমিক শিক্ষার স্তর ও ধারাসমূহ

প্রাথমিক শিক্ষার স্তর ও ধারাসমূহ
বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বৎসর। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসারে প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাকে প্রাথমিক শিক্ষা হিসেবে কার্যকর করার বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন প্রকার সংস্কার সাধনের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ২০১৮ সাল নাগাদ প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা বলে..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 12:26
  •  পঠিত: 960
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ পদ্ধতি

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়ে থাকে দুই ভাবে।
ক. সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে
খ. পদোন্নতির মাধ্যমে
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে হলে নারী প্রার্থীদের এসএসসি পাস এবং পুরুষ প্রার্থীদের স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। পরিমার্জিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় নিয়োগ পাওয়ার পর শিক্ষকদের তিন বছরের মধ্যে সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সি.ইন.এড) অথবা ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন (ডিপিএড) প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তিন বছরের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ নিতে না পারলে শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ী করা হবে না। আগে এই.....

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 12:35
  •  পঠিত: 24,233
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহিলাদের শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগে সরকারি পদক্ষেপ

পাকিস্তান শাসনামলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চাকরি পাওয়ার জন্য নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল পঞ্চম শ্রেণী পাশ। পরবর্তীতে এটি মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশে উন্নীত করা হয়। নূন্যতম নম্বর নিয়ে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করত, তারাই প্রাথমিক পাওয়ার চেষ্টাই এদেরকে স্কুলে আসাটা অব্যাহত রাখত।বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ঢুকত। ছাত্রাবস্থায় এদের অনেকেই একাধিক বার ফেল করা। কোন রকম প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা ছিল না। এরকম ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা স্কুল থেকে সাফল্য অস্বাভাবিক ব্যাপার। সাফল্য যদি কিছু ঘটত তার দাবিদার একমাত্র ছাত্রটি নিজে এবং তার অভিভাবকের নিরলস প্রচেষ্টা।

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে....

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 12:45
  •  পঠিত: 1,010
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] প্রাথমিকস্তরে শিক্ষক প্রশিক্ষণ

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য পি.টি.আই সমূহ স্থাপন করা হলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের পেশাগত নিশ্চয়তা ও মর্যাদার কারণে ব্যপকহারে মেধাবীরাই পেশায় আসেনি। পরবর্তীতে স্বাধীনদেশের প্রথম সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকারিকরণের মাধ্যমে এক্সত্রে বৈপ্লবিক অগ্রগতির সূচনা করেন। যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট(পি.টি.আই) গুলোকে ঢেলে সাজানো হয়। পিটিআই এর সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়। পিটিআই ট্রেনিং ব্যবস্থা শিক্ষকদের মান উন্নয়নের সহায়ক। শিক্ষকদেরকে পেশামূখী করণে এর অবদান প্রশ্নাতীত। প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 10/04/2015 - 13:07
  •  পঠিত: 1,382
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] শ্রেণীকক্ষে শারিরীক শাস্তি নিষিদ্ধকরণে সরকারি পদক্ষেপ

০৯ আগস্ট, ২০১১ শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের ওপর শাস্তি নিষিদ্ধসংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। নীতিমালায় শারীরিক ও মানসিক শাস্তির সংজ্ঞা নির্ধারণসহ এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলতে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক, নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, শারীরীক শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা সহ অন্য সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে। এই নীতিমালায় শিশুদের শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালায় শ্রেণীকক্ষে ১১ ধরনের শাস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শাস্তিগুলো হলো,
•    হাত-পা বা কোনো কিছু দিয়ে আঘাত বা বেত্রাঘাত..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 07/13/2014 - 17:16
  •  পঠিত: 1,730
  • 0 মতামত

পৃষ্ঠাসমূহ