নারী শিক্ষার ইতিবৃত্ত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] নারী শিক্ষার ইতিবৃত্ত

উনিশ শতকের গোড়ার দিকেও এদেশের মেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ মোটেও পেত না। অভিজাত পরিবারে ও বৈঞ্চবীদের মধ্যে লেথাপড়ার নিজস্ব ধাঁচের ও সনাতনী ধারার চল ছিল। এই প্রেক্ষপটে ব্যাপকভাবে মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টির জন্য নবযুগের ব্যক্তিদের প্রচেষ্টার ফলে বাংলার নারী জগরণের সূচনা ঘটেছে।
তবে এ কথাও সত্য যে শ্রীরামপুরের মিশনারিরাই নারী শিক্ষার উদ্যোগ নেন সর্বপ্রথম, যদিও খ্রিস্টধর্মের প্রসারই ছিল মুল লক্ষ্য। ১৮১১ সালে প্রায় ৪০টি বালিকা নিয়ে উইলিয়াম কেরী-মার্শম্যান ও ওয়ার্ড ধর্মশিক্ষার জন্য প্রথম একটি বালিকা বিদ্যালয় খোলেন। ১৮১৮ সালে চুঁচুড়ায় বালিকাদের জন্য আলাদা একটি স্কুল..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 03/05/2014 - 10:03
  •  পঠিত: 1,797
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বাংলাদেশের নারী শিক্ষার বর্তমান অবস্থা

বাংলাদেশের শিক্ষায় পুরুষদের তুলনায় নারীরা নানা দিক দিয়ে পিছিয়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীদের বা নারী শিক্ষার্থীদের অবস্থার তুলনামূলক উন্নতি ঘটলেও সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নারীরা এখনো অনেক পিছনে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে এবং উদ্যোগগুলোর ফলাফল ধীরগতিতে হলেও দৃশ্যমান হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে নারী বা নারী শিক্ষার্থীরা যে জায়গাগুলোতে এগিয়ে রয়েছে তার একটি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষায় মেয়ে শিশুদের ভর্তির হার। সরকারি হিসাব থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রাথমিক পর্যায়ে বর্তমানে ভর্তির হার শতকরা ৯১ ভাগ যার মধ্যে মেয়ে শিশুরা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে (যথাক্রমে ৯৪.৭ শতাংশ ও ৮৭.৮ শতাংশ) । গত কয়েক বছরের এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফল থেকেও দেখা যায়, সব শিক্ষাবোর্ডেই মেয়ে শিক্ষার্থীরা ছেলেদের তুলনায় ভালো কিংবা সমান ফলাফল করছে..

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 07/14/2014 - 10:07
  •  পঠিত: 5,407
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] প্রান্তিক নারীদের শিক্ষাসমস্যা ও উত্তরণের উপায়

বাংলাদেশ নারী শিক্ষার বিভিন্ন সূচকের ক্ষেত্রে ইর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে, যা উন্নয়ন সহযোগী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জাতিসংঘ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ সহ নানান প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই অর্জন রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। তথাপি এদেশের প্রান্তিক নারীগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শিক্ষার ক্ষেত্রে এখনও অনেক পিছিয়ে আছে। এসব নারীরা সামাজিক, লৈঙ্গিক, বৈষয়িক কিংবা আর্থিক অসুবিধার কারণে নিজেদেরকে বিকাশের স্রোতে প্রবেশ করাতে পারলেও তা ধরে রাখতে পারে। শিক্ষার দিক দিয়ে বিবেচনা করলে দেখা যায়, চা বাগান, হাওর, বস্তি, যৌনকর্মীদের সন্তান, আদিবাসী গ্রুপ, চর ও উপকূলীয় এলাকার মানুষ ইত্যাদি এলাকার মেয়ে শিশু ও নারীরা ভয়াবহভাবে প্রান্তিকতার শিকার..

তথ্য:
  • আপলোডের তারিখ: 07/14/2014 - 10:21
  •  পঠিত: 949
  • 0 মতামত