অন্যান্য ফসল

[ পাঠ্য সামগ্রী ] সজিনা

ইংরেজীতে সজনার নাম ‘‘ড্রামস্ট্রিক’’ যার অর্থ ঢোলের লাঠি। সজিনার ইংরেজী নামটি অদ্ভুত হলেও এটি একটি অতি প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী উদ্ভিদ। বাংলাদেশে এটি নিয়ে তেমন গবেষণা না হলেও বিশ্বের বহু দেশে এ নিয়ে অনেক গবেষনা হয়েছে বিশেষ করে গাছ বৃদ্ধিকারক হরমোন, ঔষধ, কাগজ তৈরী ইত্যাদি বিষয়ে। বহু দিন হতেই আমাদের দেশে এটি সব্জির পাশাপাশি ঔষধ হিসেবে ব্যাবহার হয়ে আসছে...

 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/13/2015 - 14:56
  •  পঠিত: 1,765
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] মেথি এক অনন্য বহুমুখী ফসল

বহুগুণে গুণান্বিত ফসল মেথি। মেথি ৫ ফোড়নের এক অন্যতম উপাদান। এটি ইউনানি, কবিরাজি ও লোকজ চিকিৎসায় বহুবিদ ব্যবহার হয়। অনাদিকাল থেকে আমাদের দেশে মেথির প্রচলন আছে কিন্তু ব্যাপকতা বা বিস্তৃতি জনপ্রিয়তা তেমন ঘটেনি এ সাধারণ ফসলটির অসাধারণ গুণ। মেথি লেগুমিনোসি পরিবারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূণ ফসল। একাধারে মসলা, পাতাজাতীয় সবজি এবং ভেষজ উদ্ভিদ। ইংরেজিতে একে Fenugreek বলা হয়। এ ফসলটির সাধারণ পরিচিতি কম হলেও এর অসাধারণ ভেষজ গুন, চাহিদা, ফলন এবং অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এটি অত্যন্ত গুররুত্বপূর্ণ। মেথির রোগবালাই কম এবং অল্প যত্নে কম বিনিয়োগে ভালো লাভ পাওয়া যায়। শিম জাতীয় ফসল হওয়ায় মেথি মাটিতে জৈব পদার্থ ও নাইট্রোজেন যোগ করে জমির উর্বরতা বাড়ায়। বাংলাদেশে প্রধানত মেথির বীজ মসলা এবং ওষুধি ভেষজ ...
 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/13/2015 - 15:14
  •  পঠিত: 1,989
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বারি ঝাড়শীম

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর নতুন উদ্ভাবিত ঝাড়শীমের জাত ‘‘বারি ঝাড়শীম-২‘‘ প্রচুর আমিষ ও উৎকৃষ্ট পুষ্টি গুনাগুন সমৃদ্ধ একটি সীম জাতীয় সব্জি। আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, হাটহাজারীতে ১৭০ টি দেশী বিদেশী জাতের মধ্য উৎকৃষ্ট গাছ থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে এ জাতটির উৎপত্তি এবং ২০০২ সালে এটি ’’বারি ঝাড়সীম-২’’ নামে অনুমোদিত হয়। এই জাতটির শুঁটি বা শীম সবজি হিসাবে এবং বীজ খাইসা হিসাবে বা ডাল করে উভয়ভাবেই ব্যবহার করা যায়। এ জাতটির শীমের খোসা মাংসল, নরম এবং আঁশবিহীন। এর আকর্ষনীয় হালকা সবুজ শুটি লম্বা, সোজা এবং সরু হওয়ায় বিদেশে রপ্তানিযোগ্য। এ জাতটি...

 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/13/2015 - 15:51
  •  পঠিত: 1,335
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] তাল

ভূমিকাঃ তাল একটি অতি প্রাচীন অপ্রচতি ফল। বাংলাদেশের সব এলাকায় কমবেশী তাল উৎপাদন হলেও ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, রাজশাহী ও খুলনা এলাকায় সবচেয়ে বেশী উৎপাদন হয়। তালের জন্মস্থান মধ্য আফ্রিকা বলে ধারণা হলেও অনেকে বলেন এটি আমাদের উপ-মহাদেশীয় বৃক্ষ...

 

 

 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/13/2015 - 16:32
  •  পঠিত: 1,033
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] ড্রাগন ফল

এমন অনেক বিদেশী ফল আছে যেগুলো বাংলাদেশে সার্থকভাবে চাষ করা সম্ভব। আবার এমন ফল আছে যেগুলো এদেশে হবে, তা মানুষের চিন্তাতেও আসত না-যেমন স্ট্রবেরী, ড্রাগন ফ্রুট, এ্যাভোকেডো। অথচ এই সমস্ত ফলগুলো এদেশে শুধু হচ্ছেই না বরং বাণিজ্যিকভাবে (যেমন: স্ট্রবেরী) চাষ করা হচ্ছে। অথচ-এ ফলগুলোর পরিবেশিক চাহিদার সাথে বাংলাদেশের জলবায়ুর কোন মিল নেই। সৌভাগ্যবশত এই ফলগুলোর এমন অনেক জাত আছে যা বাংলাদেশের জলবায়ুতে সাফল্যের সাথে জন্মানো সম্ভব। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনিশিয়াসহ এশিয়ার অনেক দেশে এ ফলগুলো অনেক আগেই প্রবর্তিত হয়েছে ...

 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/13/2015 - 16:47
  •  পঠিত: 2,526
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] বসতবাড়ির আঙ্গিনায় সারাবছর শাকসবজি চাষ

সুস্থ ও সবলভাবে বেঁচে থাকতে পুষ্টিকর খাবার খেতেই হবে। একজন পূর্ণ বয়স্ক লোকের দৈনিক ২১৩ গ্রাম সবজি খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা গড়ে মাত্র ৫৩ গ্রাম শাক-সবজি  গ্রহণ করি। এর কারণে এদেশের কোটি কোটি মানুষ দৈহিক ও মানসিক অসুখে ভুগছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে শিশু এবং নারী। আমাদের মোট জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ, বিশেষ করে মহিলারা লৌহের অভাবে রক্তশূন্যতার শিকার। একমাত্র ভিটামিন-এ’ র অভাবে বছরে ৩০ হাজার শিশু অন্ধ হয়ে যায়।  এসব সমস্যা সমাধানে শাক-সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। কারণ শাকসবজি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ছাড়াও সব ধরনের...

 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/13/2015 - 17:52
  •  পঠিত: 4,807
  • 0 মতামত

[ পাঠ্য সামগ্রী ] ভেষজগুণে সমৃদ্ধ মিষ্টি গাছ স্টিভিয়া

মানুষের জীবনে মেধার বিকাশ এবং শারীরবৃত্তীয় পরিপক্বতা আসতে সাধারণত সময় লাগে ৪০ বছর। এ বয়সে সুস্থ ও ভালো থাকা বিষয়টি যত না অনুভূত হয় তার চেয়ে অনেক বেশি ভুক্তভোগী হতে হয় বয়স ৪০ এর কোঠা পার হতে না হতেই। ইতোমধ্যে চোখে কম দেখা, স্মরণশক্তি কমে যাওয়া, চুল পাকা, ইন্দ্রিয় শৈথিল্যতা, ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিকস, বাত, গ্যাস্টিক, আলসার, ক্যান্সার ইত্যাদি অসুস্থতার উপসর্গগুলো দেখা দিতে থাকে। এমতাবস্থায় ভালো থাকা ও সুস্থ থাকা একদিকে যেমন ওষুধনিভর্র হয়ে পড়ে অপরদিকে তেমন কমতে থাকে খাওয়া-পরার উৎকর্ষতা এবং অন্যান্য ভোগবিলাসের কৃচ্ছ্রতা কিংবা স্বাধীনতা। আর আমাদের দেশে এ বয়সে অসুস্থতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হলো-হাইপারটেনশন বা ব্লাডপ্রেসার এবং ডায়াবেটিস রোগ। এমতাবস্থায় দেহের কোলস্টেরল কমাতে চর্বি জাতীয় সুস্বাদু উন্নত খাবার খাওয়া যেমন নিষিদ্ধ হয়ে যায়...

 

তথ্য: তথ্য আপা প্রকল্প
  • আপলোডের তারিখ: 09/14/2015 - 09:46
  •  পঠিত: 883
  • 0 মতামত